ঢাকা আবাহনীর একমাত্র নায়ক সাইফ-মাশরাফি

ইয়াছিন আরাফাত
দলের হয়ে কৃতিত্ব দেখালেন ইয়াসির আলী চৌধুরী। বিপর্যয়ে দাঁড়িয়ে নিজের দলকে টানলেন। নিভু নিভু প্রদীপকে আবার জ্বালাতে চাইলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়নি। ঢাকা আবাহনীর নায়ক মোহাম্মদ সাইফু উদ্দীন ও মাশরাফি বিন মর্তুজা এই প্রদীপকে আলোকিত করতে দেয় নি।ঢাকা প্রমিয়ার লিগে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ১৪ রানে হারাল আবাহানী লিমিটেড। এই চ্যাম্পিয়ন দল এই পর্যন্ত টানা ৩টি ম্যাচ জিতেছেন। মিরপুর শেরে-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গত বৃহস্প্রতিবার নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৩৬ রান সংগ্রহ করেন। এই রানের তাড়ায় ইয়াসির আলী দলের জন্য অপারজিত থেকে ১০৬ রান করে। কিন্তু তার সঙ্গে সঙ্গ দিতে না পারায় ব্রাদার্স থমকে দাড়াই ২২২ রানে। টস জিতে বোলিংয়ে নেমে যথেষ্ট চাপে ফেলে আবাহানীকে। ওপেনার জাভেদ ফেরেন মাত্র ১ রান করে। অভিজ্ঞ ভারতীয় ব্যাটসম্যান ওয়াসিম জাফর খেলেছেন ২৬ বলে মাত্র ৮ রান,৭২ বল খেলে ৪৪ রান করেন নাজমুল হাসান শান্ত। ৯৫ বল খেলে ৫৪ রান করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। পরে রানের চাকা বদলে দেন সাইফ ও মাশরাফি। দুই জনের জুটিতে শেষ ৫ ওভার ২ বলে ৬২ রান আসেন। পরে ব্রাদার্সের হয়ে কেউ তেমন ভাল খেলতে পারেন নি। শুধুমাত্র ইয়াসির আলী করেছেন ১১২ বলে ১০৬ রান। এই ইনিংসে তিনি ৮টি ৪ এবং ২ ছক্কা হাকান। সংক্ষিপ্ত স্কোর: আবাহনী : ৫০ ওভারে ২৩৬/৬ (জহুরুল ১৪, জাভেদ ১, জাফর ৮, শান্ত ৪৪, মোসাদ্দেক ৫৪, সাব্বির ১৩, সাইফ ৫৯*, মাশরাফি ২৬*; শরিফ ৯-১-৫৮-০, মেহেদি ১০-০-৫৮-২, চিরাগ ৭-০-২৮-১, নাঈম জুনিয়র ৮-০-২৮-২, শরিফউল্লাহ ১০-২-৩০-১, সাখাওয়াত ৬-০-৩১-০)। ব্রাদার্স : ৫০ ওভারে ২২২/৮ (মিজানুর ৭, জুনায়েদ ১৭, হামিদুল ০, চিরাগ ১৫, ইয়াসির ১০৬*, ফজলে রাব্বি ১৩, শরিফউল্লাহ ২১, শরিফ ১৭, নাঈম জুনিয়র ১০, মেহেদি ১*; রুবেল ৯-৩-২৬-০, মাশরাফি ৮-০-৩৯-২, সাইফ ১০-১-৫৪-১, মোসাদ্দেক ৮-০-২৮-০, সানজামুল ৬-০-২৬-১, আরিফুল ৪-০-২৭-০, সাব্বির ৫-০-২১-২)। ফল: আবাহনী লিমিটেড ১৪ রানে জয়ী ম্যান অব দা ম্যাচ: মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন

No comments

Powered by Blogger.