ব্যাটসম্যানদের নিবেদন নিয়ে প্রশ্ন

ইয়াছিন আরাফাত
নিউজিল্যান্ড দলে ২০১২ সালে শরীর দেগে করা বাউন্স নিয়ে হাজির হন ওয়াগনার। দুই টেস্টে তিনি নিয়েছেন ১৬ উইকেট। এরমধ্যে ১৫ উইকেটই তার শট বল থিওরি থেকে এসেছে। তবে বাংলাদেশ ডিফেন্ডবল ব্যাটসম্যান এবং অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ মনে করেন, "ওয়াগনারের বাউন্স খেলার সামর্থ্য তার দলের আছে। ব্যাটসম্যানর তার বল ভালো সামলেছে ও খেলেছে। কিন্তু পরে উইকেট বিলিয়ে ফিরেছেন। কারণ মনোদ্বন্দ্ব।" সাকিবের অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব নেওয়া এই তারকা দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি করেন। এছাড়া প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি পান তিনি। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে তামিম-সাদমান ওপেনিং জুটিতে ভালো রান পান। বাংলাদেশ দলের তাই বড় রান করার সুযোগ ছিল। কিন্তু দুই ইনিংসে বাজে ব্যাটিংয়ে তারা হেরেছে ইনিংস ব্যবধানে। মাহমুদুল্লাহ বলেন, 'তামিম-সাদমান ভালো এক জুটি দেন। এরপর ওয়াগনার এসে তার বাউন্স থিওরি কাজে লাগায়। আমরা তাকে শুরুতে ভালো সামলেছি। কিন্তু পরে উইকেট দিয়ে ফিরেছি।' দলকে আরও নিবেদিত হয়ে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করতে হতো জানিয়ে অধিনায়ক বলেন, 'ব্যাটসম্যানরা তার শটগুলো পুরোপুরি মনোযোগ দিয়ে খেলতে পারেনি। অথবা তাদের নিবেদন কম ছিল। তারা শট খেলবে নাকি খেলবে না এই দ্বন্দ্বে পড়ে যায়। কিউই বোলারদের আক্রমণ করে খেলতে হলে অবশ্যই বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।' বাংলাদেশ দলের জন্য ওয়াগনার ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে তা জানতেন মাহমুদুল্লাহরা। তাকে সর্বশেষ সফরেও খেলেছে দল। কিন্তু ওয়াগনার ফ্যাক্টর নিয়ে এবার কথা হচ্ছে বেশি। বাংলাদেশের সামনে এখনও এক টেস্ট বাকি। সেই ম্যাচ নিয়েও দলকে সতর্ক করলেও তিনি, 'সম্ভবত ক্রাইস্টচার্চের উইকেট আরও বেশি গতির হবে। আমাদের ব্যাটসম্যানদের তাই আরও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে।' বাংলাদেশ দলের পেস আক্রমণে আছেন নতুনরা। বোলারদের তাই দোষ দিতে চান না মাহমুদুল্লাহ। তার কথা অবশ্যই হারের দায় ব্যাটসম্যানদের নিতে হবে

No comments

Powered by Blogger.