🏏টেস্টে দলীয় সর্বোচ্চ রানে নবম স্থানে বাংলাদেশ🏏

🏏টেস্টে দলীয় সর্বোচ্চ রানে নবম স্থানে বাংলাদেশ🏏] 






01. শ্রীলঙ্কা: টেস্ট ক্রিকেটে দলীয় সর্বোচ্চ রানের শীর্ষে আছে শ্রীলংকা। আর বাংলাদেশের অবস্থান নয় নম্বরে…. শ্রীলঙ্কা ৯৫২/৬ (ডি.) প্রতিপক্ষ ভারত, ১৯৯৭: কলোম্বতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেতে তিন ব্যাটসম্যান নবজিৎ সিংহ সিধু, শচীন টেন্ডুলকার এবং মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ৫৩৭ রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ভারত। কিন্তু সানাৎ জয়সুরিয়ার ট্রিপল সেঞ্চুরি (৩৪০) এবং রশোন মাহানামার (২২৫) ডাবলসেঞ্চুরিতে, নিজেদের তো বটেই টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ দলীয় রানের রেকর্ড গড়েন শ্রীলংকা। ৬ উইকেটে ৯৫২ রানে ইনিংস ঘোষণার পর ম্যাচটি ড্র মেনে নেয় দু’দল।

02. ইংল্যান্ড: ইংল্যান্ড ৯০৩/৭ (ডি.) প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ১৯৩৮: দুই দেশের সিরিজের পঞ্চম টেস্টে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে, তিন ব্যাটসম্যান স্যার লিওনার্ড হটন (৩৬৪), মরিস লেল্যান্ড (১৮৭) এবং জো হার্ডস্টাফের (১৬৯) সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ৯০৩ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ইংল্যান্ড। এখন পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটে এটি ইংলিশদের সর্বোচ্চ দলীয় রান। অস্ট্রেলিয়াকে ২০১ ও ১২৩ রানে অলআউট করে, ৫৭৯ রানে ম্যাচ জেতে ইংল্যান্ড।


 
03. ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৯০/৩ (ডি.) প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, ১৯৫৪: প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের ৩২৮ রানের জবাবে মাত্র তিন উইকেটে ৭৯০ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবিয়দের টেস্ট ইতিহাসে এটি দলীয় সর্বোচ্চ রান। সে ম্যাচে ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছিলেন স্যার গ্যারি সোবার্স (৩৬৫*) এবং স্যার কনরাড হান্ট (২৬০*) করেছিলেন ডাবলসেঞ্চুরি। ম্যাচটি ১৭৪ রানে জেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
04. পাকিস্তান: পাকিস্তান ৭৬৫/৬ (ডি.) প্রতিপক্ষ শ্রীলংকা, ২০০৯: করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬৪৪/৭ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলংকা। এর জবাবটা বেশ ভালো ভাবে দেন ইউনুস খান (৩১৩) এবং কামরান আকমল (১৫৮*)। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৭ উইকেটে ৭৬৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান। ম্যাচটি ড্র হয়।

05. ভারত: ভারত ৭৫৯/৭ (ডি.) প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, ২০১৬: চেন্নাইতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে ৪৭৭ রান করে ইংল্যান্ড। কেএল রাহুল (১৯৯) এবং করুন নায়ারের (৩০৩) ব্যাটিংয়ে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড করে এর জবাব দেয় ভারত। ৭ উইকেটে ৭৫৯ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ভারত। ইনিংস ও ৭৫ রানে ম্যাচ জেতে বিরাট কোহলীর ভারত।

06. অস্ট্রেলিয়া: অস্ট্রেলিয়া ৭৫৮/

৮ (ডি.) প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৯৫৫: টস জিতে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে ৩৫৭ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে চার ব্যাটসম্যান নিল হারভি (২০৪), কলিন ম্যাকডোনাল্ড (১২৭), কিথ মিলার (১০৪) এবং রন আরচারের (১২৯)সেঞ্চুরিতে টেস্টে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়া। ৮ উইকেটে ৭৫৮ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে অজিরা। ইনিংস ও ৮২ রানে ম্যাচ জেতে অস্ট্রেলিয়া।

07. নিউজিল্যান্ড: বাংলাদেশের বিপক্ষে হ্যামিল্টন টেস্টে নিজেদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্কোর গড়েছে নিউজিল্যান্ড। এর আগে কিউইদের এই রেকর্ডটি ছিলো পাকিস্তানের বিপক্ষে। ২০১৪ সালে শারজাহতে ৬৯০ রানে অলআউট হয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সেটিকে ছাপিয়ে এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ৭১৫/৬ (ডি.) করেছে কিউইরা।

08. দক্ষিণ আফ্রিকা: দক্ষিণ আফ্রিকা ৬৮২/৬ (ডি.) প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, ২০০৩: লডর্সে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৭৩ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা রানের নহর বইয়ে দেন। গ্রিয়েম স্মীথের ডাবল সেঞ্চুরি (২৫৯) এবং গ্যারি কার্স্টেনের (১০৪) সেঞ্চুরিতে, সর্বোচ্চ টেস্ট স্কোরের রেকর্ড গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইনিংস ও ৯২ রানে ম্যাচ জেতে প্রোটিয়ারা।


 
09. বাংলাদেশ: বাংলাদেশ ৬৩৮ প্রতিপক্ষ শ্রীলংকা, ২০১৩: টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কুমার সাঙ্গাকারা ও লাহিরু থিরিমান্নের সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে ৫৭০ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলংকা। লঙ্কানদের দুই সেঞ্চুরির জবাবে বাংলাদেশের তিন ব্যাটসম্যান পেয়েছিলেন শতকের দেখা। মুশফিকুর রহিমের ডাবল সেঞ্চুরিতে (২০০), মোহাম্মদ আশরাফুল (১৯০) এবং নাসির হোসেনের (১০০) সেঞ্চুরিতে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৬৩৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ম্যাচটি ড্র হয়।

10: জিম্বাবুয়ে: জিম্বাবুয়ে ৫৬৩/৯ (ডি.) প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০০১: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৩১ রানে অলআউট হয়েছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু অভিষিক্ত হ্যামিল্টন মাসাকাদজার সেঞ্চুরিতে ৯ উইকেটে ৫৬৩ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে জিম্বাবুয়ে। টেস্ট ক্রিকেটে এটি জিম্বাবুয়ের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। ম্যাচটি ড্র হয়।

No comments

Powered by Blogger.