পেস বোলারদের সামর্থ্য আছে, অভিজ্ঞতা নেই


পেস বোলারদের সামর্থ্য আছে, অভিজ্ঞতা নেই

 
 

পেস বোলারদের সামর্থ্য আছে, অভিজ্ঞতা নেই


বাংলাদেশি পেস বোলারদের ঘাটতি নিয়ে দলের ফাস্ট বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ বলেন, বাংলাদেশে প্রতিভাবান ফাস্ট বোলার আছে। সমস্যা হচ্ছে, তাদের অভিজ্ঞতার অভাব। তাদের সামর্থ্য আছে। প্রতিভা আছে।
নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে সিরিজে (৩-০) হোয়াইটওয়াশ হওয়া বাংলাদেশ দল, তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম খেলায় হেরে যায় ইনিংস ও ৫২ রানে।
হ্যামিল্টন টেস্টে তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সেঞ্চুরির পরও ইনিংস ব্যবধানে পরাজয়। আবু জায়েদ রাহী, খালেদ আহমেদ ও এবাদত হোসেনরা নিউজিল্যান্ডের পেস বোলিং সহায়ক উইকেটে প্রত্যাশিত বোলিং করতে পারেননি। তাদের কারণেই ইনিংস ব্যবধানে পরাজয়।
পেস বোলিং দৈন্যদশা নিয়ে দলের কোচ ওয়ালশ বলেন, ওদের সামর্থ্য কিংবা প্রতিভাই না থাকলে আমি বলে দিতাম। সমস্যা হচ্ছে ধারাবাহিকতার অভাব, আর এটা হচ্ছে অভিজ্ঞতার অভাবে। মাঠে ও মাঠের বাইরে তাদের সহায়তা ও নির্দেশনা দরকার। আর সেটা করতেই আমরা আছি। যতটা পারি তাদের সহায়তা করছি। তাদের আরও ধারাবাহিক করতে চাই।
দুই ইনিংসে বাংলাদেশের ২০ উইকেট শিকার করেন নিউজিল্যান্ডের ফাস্ট বোলরারা। সেই বিবেচনায় বাংলাদেশে পেসাররা চরম ব্যর্থ। রাহী-খালেদ-এবাদতদের মেরে কেটে ৭১৫ রানের পাহাড় গড়ে নিউজল্যান্ড। তিন পেসারের মধ্যে এবাদত পান মাত্র একটি উইকেট।
ওয়ালশ বলেন, নিউজিল্যান্ড অনেক ভালো খেলেছে। আমাদের ফাস্ট বোলারের চেয়ে ওদের ধৈর্য অনেক বেশি। এই ধরনের উইকেটে কোনো ব্যাটসম্যান একবার থিতু হয়ে গেলে তাদের আউট করা কঠিন। নিউজিল্যান্ড যেভাবে খেলেছে কৃতিত্ব তাদের দিতেই হবে।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৩৪/১০ (তামিম ১২৬, লিটন ২৯; ওয়াগনার ৫/৪৭, সাউদি ৩/৭৬)। এবং ২য় ইনিংস: ৪২৯/১০ (সৌম্য ১৪৯, মাহমুদউল্লাহ ১৪৬, তামিম ৭৪, সাদমান ৩৭; বোল্ট ৫/১২৩, সাউদি ৯৮/৩)।
নিউজিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৭১৫/৬ (উইলিয়ামসন ২০০*, লাথাম ১৬১, রাভেল ১৩২, গ্রান্ডহোম ৭৬*, নিকোলাস ৫৩)।
ফল: নিউজিল্যান্ড ইনিংস ও ৫২ রানে জয়ী।

No comments

Powered by Blogger.