বেলাকে নিয়ে এক রাত: আগুন আমিনের গল্প


বেলাকে নিয়ে এক রাত: আগুন আমিনের গল্প



বেলাকে নিয়ে এক রাত: আগুন আমিনের গল্প - আগুয়ান - Agooan




গতকাল দেখা না করে এভাবে চলে আসতে হবে ভাবিনি বেলা বারবার বলেছিল যেন চোখের দেখাটা হলেও অন্তত দিয়ে আসি আমারও ইচ্ছে কম ছিল না আজ দিন ধরে ভেতরটা ছটফট করছে কী কারণে যেন ইদানিং সে কলেজে আসছে না বলেছিল দেখা হলে কারণটা জানাবে তাই গতকাল রাতে বাগানে গিয়ে দেখা করতে বলেছিল ওর বাড়ির পেছনেই বাগান প্রায়ই সুযোগ বুঝে আমরা ওখানে দেখা করি কিন্তু গতরাতে এক কাণ্ড ঘটে যাওয়ায় আধা-পথ গিয়েও ফের ফিরে আসতে হল আমি বন্ধুদের সাথে সবই শেয়ার করি কাজেই এই ঘটনাও বলছি, বিকালে খেলা শেষে বন্ধুদের কিছু না বলে চুপচাপ চলে এসেছি সন্ধ্যার পর বেলার সাথে দেখা করতে রওনা হলাম, তখনি পথে ভয়াবহ কান্ডটা ঘটল বলতে গেলে কোনো রকম জানে বেঁচে ফিরেছি পরে বুঝতে পেরেছি বন্ধুরা- এই ঘটনা ঘটিয়েছে তবে যেনতেন লোক হলে জীবন নিয়ে ফিরে আসতে হতো না আমার কথা শুনে অনেকেই চাপাবাজি মনে হতে পারে থাক, সে কথা আর না- বললাম

ভাবছি, আজ যে করেই হোক বেলার সাথে আমাকে দেখা করতেই হবে কিন্তু কীভাবে? সন্ধ্যা হতেই মা বকাঝকা খেয়ে বই নিয়ে টেবিলে বসতে হল গত রাতের ঘটনা মা জেনে গেছেন যে কারণে  আজ আমার কাছ ছাড়ছেন না মা খাটের এক কোণে পা ঝুলিয়ে বসে আছেন আমি টেবিলে বই মেলে ঝুঁকে বসে আছি পড়ছি না কেবল পড়ার ভান করে ভাবছি, রাত বাজে দশটা তিরিশ মিনিট, আর মাত্র আধা ঘন্টা সময় হাতে আছে! কীভাবে মা কে ফাঁকি দেয়া যায়?
যে ভাবেই হোক জলদি করে উপায় খুঁজে বের করতে হবে, সহজে মা আজ পাশ ছাড়বে না মনে হচ্ছে কাজেই কপালে আঙুল দিয়ে ডলতে ডলতে গরম করার পর ভারি কন্ঠে মা কে বললাম, মা, আমার মাথাটা ভীষণ ব্যথা করছে...!
হঠাৎ আবার মাথা ব্যথা শুরু হল কেন, গায়ে তো জ্বরটরও নেইকপালে হাত রেখে বললেন মা
কিন্তু, ভেতরে একটু একটু জ্বর অনুভব করছি

মা পাশের ঘরে গিয়ে ফিরে এসে বললেন, ‘ঘরে কোনও ট্যাবলেট নেই! এদিকে আসো হাত বুলিয়ে দিই সেরে যাবে
আমি মা কোলে মাথা রেখে শোলাম মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন এটা আমার চালাকি যদিও কিন্তু বেশ আরাম পাচ্ছি আজকাল মা কাছে খুব বেশি থাকা হয় না মা কে একটু এড়িয়েই চলা হয় কেন তা জানি না তবে আজ আরামটা মনে মাখব না বরং আমি ঘুমের ভান করলে মা পাশের ঘরে চলে যাবেন অতঃপর আমি সুযোগটা কাজে লাগাব ভাবতেই হাসি পেল কিন্তু হাসলাম না একদম চুপ!

আমি চুপিচুপি পেছনের দরজা খুলে ঘর থেকে বের হলাম বাড়ির পাশেই আংটিচোরা বিল বিলের আলপথ ধরে হাঁটছি এই পথে গেলে কারো চোখে পড়ার সম্ভাবনা নাই কারণ, রাতের বেলায়  লোকজন ভয়ে এই পথে চলাচল করতে সাহস পায় না তো মাত্র আমিই বেলার সাথে দেখা করতে এই পথকে সঙ্গী করি ঘোর অন্ধকার চুপচাপ হাঁটছি একটু সামনেই বগা মিয়ার বাড়ি ওরা খুবই ভয়ংকর দিনে দুপুরে রাম দা দিয়ে কুপিয়ে মানুষ মেরে ফেলার ঘটনাও আছে ওদের কিন্তু কেউ কিছুই করতে পারে না টাকা দিয়ে থানা পুলিশ সব কিনে নেয় কেউ টের পেলে চোর চোর বলে ধাওয়া করার সম্ভাবনা আছে, তাই গুটিগুটি পায়ে হাটছি মাটিও যেন টের না পায় পথের দুই পাশে বাঁশের ঝুঁপ যে কারণে দিনের বেলায়ও এখানে অন্ধকার দেখায় ডান পাশের কাঠাঁল গাছটিতে ফাঁস লয়ে আত্নহত্যা করেছিল বগা মিয়ার ভাই বোচা মিয়া শুনে অনেকের সাথে আমিও দেখতে এসেছিলাম তখন আমি ক্লাশ সেভেন- পড়ি ওহ! কীভাবে যে দড়িতে ঝুলছিল এক হাত সমান জিহ্বা বেরিয়েছিল এবং তা দিয়ে লালা ঝরছিল কিছু পিঁপড়াও হাঁটছিল জিহ্বায় আমার বন্ধু কানন তা দেখা মাত্রই অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল পরে জানতে পারলাম সে ভীষণ ভয় পেয়েছিল সেই দৃশ্য চোখের সামনে ভাসছে আর মগজ নাড়া দিচ্ছে শুনেছি, ওসব আত্না নাকি পিশাচ রূপে ওখানেই রয়ে যায় সেটা মনে হতেই গা কাঁটা দিয়ে উঠল কিন্তু আমি এসব ভয় পাই না তাছাড়া সাথে একটা তাবিজও আছে তাবিজ ছাড়াও ওসব ভূত পিশাচ কোনও প্রেমিককে ঠেকাতে পারে না একজন প্রেমিক ভালোবাসার জন্য নিঝুম রাতের আঁধারে  শ্মশান থেকে পোড়া কঙ্কাল কুড়িয়ে আনতেও হিম্মত রাখে কিন্তু ফের তাকাতেই পুরো শরীরটা ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল বোচা মিয়া ঝুলে আছে গলায় দড়ি পড়ে আমি লাশের দিকে তাকিয়ে আছি সে এক হাত লম্বা জিহ্বাটা বের করে আমার দিকে ভয়ংকর দৃষ্টে তাকিয়ে আছে আমি তড়িৎ চোখের আবছা কাটিয়ে নিলাম মনে ভয় কাজ করছে, তবুও একটু সাহস রাখার চেষ্টা করছি
ডানে বাঁয়ে তাকানোর সাহস পাচ্ছি না
হাঁটছি কাঁপছি

সামনে এগুতেই মানুষের শব্দ শুনতে পাচ্ছি ফিসফিস করে কেউ কথা বলছে এবার মনে একটু সাহস পেয়ে ডান বাম তাকালাম কিন্তু কাউকেই খুঁজে পাচ্ছি না চোর হবে হয়তো, টের পেয়ে পালিয়েছে
এগুচ্ছি কিন্তু শব্দের দূরত্ব বাড়ছেও না কমছেও না, মনে হচ্ছে কানের কাছেই কেউ ফিসফিস করছে অবাক হচ্ছি শব্দ আসছে কোত্থেকে! কৌতূহল নিয়ে হাঁটছি আচমকা একটা নীলচে আলো আমার চোখে এসে ধাক্কা খেয়ে অদৃশ্য হয়ে গেলো ফের দুহাতে চোখের আবছা কাটিয়ে উঠতেই দেখি পথের মাঝখানে কেউ দাঁড়িয়ে আছে আমিও থমকে দাঁড়িয়ে গেলাম কথা বলার মতও সামর্থ্য হারিয়ে যেন শক্তিশূণ্য হয়ে গেছি তবুও জোর চেষ্টায় কম্পিত কন্ঠে বললাম, কে এখানে? কোনও উত্তর না পেয়ে এক পা এগিয়ে ফের বললাম, কে এখানে?
না, কোনও সাড়া এলো না পাথরের মূর্তির মত ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে আরেক পা সামনে এগুলাম কিন্তু কিছুই বুঝতে পারছি না কে এখানে! নাকি আমার আসতে দেরি হওয়াতে বেলা অভিমান করে এভাবে দাঁড়িয়ে আছে? সোনালী চুল বাঁধন খোলা, কোমড় ছেয়ে নেমেছে নিশ্চয়ই বেলা, তার পরনের জামাটা দেখেই নিশ্চিত হলামওর ভাই কলকাতা থেকে জামাটি এনেছে সাত রঙের কাপড় দিয়ে এই জামার ডিজাইন করায় এর নাম রংধনুজামা কলকাতার জনপ্রিয় এক নায়িকা সম্প্রতি রংধনুজামা পরে একটি বিজ্ঞাপনের মডেল করেছেন এই দামি জামা মূলত বাংলাদেশের দুচার জন ধনীর দুলালীদের পরতে দেখা যায়
কেউ এখানে দুজনকে এক সাথে দেখলে বদনাম রটে যাবে তাই আশপাশ তাকালাম কোথাও কেউ নেই, তবে কানের কাছে ফিসফিস কানাকানি শব্দটা এখনো আছে আমি বেলার দিকে হাত বাড়িয়ে স্পর্শ করতেই নিমিষের মধ্যে মিলিয়ে গেল আমি নিঃশব্দে চিৎকার দিয়ে উঠলাম! শরীরটা ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল রক্ত সঞ্চালন বেড়ে গেছে মগজের ভেতর ঝিঁ ঝিঁ পোকার মত ডাকছে সমস্ত শরীর ঘামছে হাত পা ভেঙে পড়ছে কে! কী! কোথায় গেলো? এদিক সেদিক তাকাতেই দেখি কালো রঙের একটা বিড়াল মিউ করে পায়ের পাশ কেটে চলে গেল অচেনা কোনও বুনো ফুলের গন্ধ বাতাসে ভেসে এসে মস্তিষ্ক ভারি করে দিয়েছে কিছু ভেবে উঠতে না পেরে লাফিয়ে হাঁটতে শুরু করছি নিশ্চয় এটা ভূত-পিশাচ কিছু একটা হবে! অনেকের মুখেই শুনেছি ওরা সামনে এসে আবার মিলিয়ে যায় কাছে এসে আক্রমণ করতে না পারলেও দূর থেকে ভয় দেখায়, তাছাড়া বিভিন্ন রূপ ধারণ করে  

একটা ঘটনা বলি, গাজীপুরের শেষ প্রান্তে, মানে শ্রীপুরের কথা বলছি সেখানে আমার এক আত্মীয়ের বাড়ি লাল মাটির ঘর ওদিকে বেশির ভাগই মাটির ঘর বাড়ির চতুর্দিকে জংগল রাতের কথা, লোকসংখ্যা বেশি থাকায় ঘরে শোয়ার মত জায়গা হচ্ছিল না যে কারণে মামা আর আমাকে বারান্দার রুমে শুইতে হয়েছিল এমনিতেই রাতে আমার ঘুম কম হয়, তারমধ্যে আবার নতুন জায়গা, বোঝার কিছু বাকি থাকে? তবুও শুয়ে চোখ বুঁজে কি যেন ভাবছিলাম নিরব প্রকৃতি, কোনও পতঙ্গেরও সাড়া শব্দ নেই হঠাৎ মামা চিৎকার দিয়ে উঠলেন! আমি আচমকা চেঁচিয়ে উঠলাম, কী হয়েছে? মামা কোন কথা বলতে পারছেন না, কাঁপছেন ঘামছেন ফের শুধালাম, মামা, কী হয়েছে? ‘সকাল হোক পরে বলব, এখন বলতে ভয় আছে কিন্তু আমার পিড়াপিড়িতে বলতে বাধ্য হলেন বললেন, একই চেহারার তিনজন লোক, মাথায় পাগড়ি বাঁধা, পোশাকও একই রকম, কাফন পরানো লাশ সামনে রেখে নামাজ পড়ছে কিন্তু দেখতে দেখতে ফের মিলিয়ে গেছে শ্বাস ফেলতে ফেলতে বললেন আমি বললাম, ঘুমের ঘোরে হয়তো এমন স্বপ্ন দেখছিলেন
স্বপ্ন দেখব কেন?
তাহলে?

ঘুমালে না হয় স্বপ্ন দেখতাম, আমিতো চোখই বুঁজিনি
 মনে হয় কোনও কল্পনা করছিলেন যে কারণে স্মৃতিগুলো চোখে ভাসছিল তা ছাড়া কিচ্ছু না আর কথা না বাড়িয়েশুয়ে পড়লাম কিন্তু নিজের ভেতরেও কেমন একটা ভয় কৌতূহল চেপেছে মামা কী দেখলেন! দেখতে কেমন! আমাকেও কী দেখা দেবে? দিতেও তো পারে ভাবতে ভাবতে হার্টবিট বাড়তে লাগল চোখ মেলে তাকাতে ভয় হচ্ছে বুঁজে থেকেও স্বস্তি পাচ্ছি না ভাবছি, যদি চোখ খুলতেই দেখি ওরা সামনে? আলোর কাছে নাও আসতে পারে, ভেবে ঘরের বাল্ব জ্বালিয়ে নিলাম এবার তো রিলাক্সে ঘুমানো যাবে? কিন্তু না, জ্বলন্ত বাল্বের পাশে চোখ দুটো বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে গলা ফুলাচ্ছে দেখতে টিকটিকির মতো, কিন্তু আমার জানামতে টিকটিকি এত বড় হয় না মামা চোখ বুঁজে আছে তবে ঘুমিয়ে পড়ছে কিনা ঠিক বুজতে পারছি না ডাক দিলে বুঝতে পারতাম কিন্তু তাতে যদি ওটা আমার দিকে রেগে বসে? তাছাড়া মামার কাছেও আমাকে লজ্জা পেতে হবে এভাবে ছটফট করতে করতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি জানি না সকালে আফসোস লাগল মনে, ওরা কেমন যদি দেখতে পারতাম! এরপর কত রাত বেরাতে একাকী হাঁটলাম কিন্তু ওদের ছায়াও কখনো চোখে পড়েনি

আজ নিঃসন্দেহে ওদের খপ্পরে পড়েছি যতই হাঁটছি মনে হচ্ছে সেই একই জায়গায় রয়ে যাচ্ছি কখনো মনে হচ্ছে শূন্যে উড়ছি কিন্তু পথ এগুচ্ছে না  

এভাবেই লাফাতে লাফাতে হাঁপাতে হাঁপাতে বেলাদের বাগানে গিয়ে পৌঁছুলাম বেলা নিশ্চয়ই এখানে অপেক্ষা করছে বিপদ কেটে গেছে! শুনেছি ওরা যতই শক্তিশালী হোক না কেন, দুজন থাকলে আসতে ভয় পায়
এতক্ষণে চেপে রাখা শ্বাস ছেড়ে স্বস্তি একটু অক্সিজেন গ্রহণ করলাম বাগানে ঝিরঝির বাতাস বইছে ফুলেরা বাতাসে গন্ধ ঢেলে বার্তা পাঠাচ্ছে মধুপের কাছে আমিও সেই গন্ধ উপভোগ করছি মেঘ কেটে চাঁদও হাসতে হাসতে ছড়িয়ে পড়েছে বাগান জুড়ে চাঁদের আলোতে বাগানের ফুল এত সুন্দর দেখায় তা কখনো কল্পনাই করিনি কিন্তু আজ তা উপভোগ করছি আহা কী আনন্দ! দুহাত উপরে তুলে মনের সুখে ঘুরছি -উড়ছি, নাচ্ছি-গাইছি...
কিন্তু, হঠাৎ বাগানে আঁধার নেমে এলো কালো মেঘ পুরো চাঁদটাকে গিলে ফেলল বাতাস হিম থেকে উষ্ণ হতে লাগল ফুলগুলো ব্যাঙের ছাতার মত দেখাচ্ছে বেলার পাগলামি এখনো শেষ হয়নি, লুকোচুরি খেলা তার পুরোনো অভ্যাস কিন্তু সব সময় খেলা ভালো লাগে না কখনও বা এই ছেলে খেলা মরণ খেলাতেও পরিণত হয় বললাম, প্লীজ! লুকোচুরি বন্ধ কর, নইলে আমি চলে যাব পরপর শুধানোর পরও কোনো সাড়া না পেয়ে অভিমান করে ফিরে আসার বায়না ধরলাম দুপা বাড়াতেই দেখি বেলা আমার দিকে এগুচ্ছে হেঁটে নয়, হাতির পিঠে চড়ে, রঙধনুজামা নয়, সাদা রঙ শাড়ি পড়ে কিন্তু, এতরাতে সে হাতি পেলো কোথায়? ভাবছি

হাতি হলে ঘঁত্ ঘঁত্ শব্দ করবে কেন! এই শব্দ তো শুকরের কিন্তু শুকর কী এত বড় হয়? অথচ বেলাকে দেখাচ্ছে সদ্য হাঁটতে শেখা শিশুদের মত! চেহারাটা ছাড়া অন্য কিছুতেই বেলার সাথে মিল পাচ্ছি না নিশ্চয়ই অন্যকিছু ভাবতেই বিকৃত ভঙ্গীতে আমার দিকে তাকালো তার চোখের আলো বিজলী চমকানোর মত ঝিলিক দিয়ে আমার দৃষ্টি ক্ষীণ করে দিল মাথার মগজ টগবগ করছে মনে মনে বললাম, তুই সেই পিশাচ, আজ আমার পিছু নিয়েছিস তাই না?
ধীরে ধীরে আমার দিকে এগুচ্ছে আমি হাতের আঙুল মুঠআপ করছি, শত্রুটার সাথে লড়তে হবে কারণ শত্রুর ভয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেয়ে লড়াই করে মরাই শ্রেয় মনে হচ্ছে তার আগে বেলার খোঁজ নিয়ে নিই এখনো সে কোথায়! নাকি ওরা বেলাকেও আক্রমন করেছে! মেরে ফেলেছে?
ভেবেই বেলা... বলে চিৎকার দিয়ে উঠলাম

শোনে লোকজন পাড়া ভেঙে ছুটে এলো ততোক্ষণে আমার স্বপ্ন ঘুম দুটো- কেটে গেছে তাকিয়ে দেখি সকাল হয়ে গেছে এবং মনে পড়েছে, রাতে মাকে ফাঁকি দিতে গিয়ে কখন যে মায়ের কোলে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম বুঝতেই পারিনি অতঃপর মনে মনে ভীষণ লজ্জা পেয়েছি!

No comments

Powered by Blogger.